Monday, 29 June 2015

ফুলমালা

সেদিন আমি দু হাত ভরে ফুল তুলেছি
বলতে পারিস এমন কি আর ভুল করেছি!
পড়েই ছিল গাছের তলায় এরম সেরম
একটা মালা গাঁথব ভেবেই তুলে নিলাম।
আমার সে মন নিস্পাপ আর স্বপ্নমোড়া,
বলল আমায় ছুট লাগাতে লাগামছাড়া।
কেউ ছিল না আসে পাশে,আমি ই একা,
মনের সুখে চলেছি পথ আঁকা বাঁকা
তবুও সে কি বলল জানিস! লোক দেখানো।
বলতে পারিস অমন বুলি কার শেখানো?


কাঁদব না আর, চোখের জলে ভাত রেঁধেছি,
নিজেকে আজ নিজের ভেবে খুব সেজেছি।
গাছের তলায় ঝাঁট দিয়েছি আছহা মত,
শাস্তি স্বরূপ বাড়িয়েছি আজ মনের ক্ষত।
ফুল গুলো আজ কাঁদবে কাঁদুক, হোক অভিমান
গাছের কাছেই ফিরিয়ে দিলাম প্রেমের সে দান।
তবুও সেদিন পাখীর ডাকে ভোরের আলো,
মেঘলা আকাশ আমার মতোই নিকষ কালো।
ভীষণ প্রিয় বৃষ্টি এল ভিজিয়ে দিতে,
বন্ধু, যেন সে না আসে আমায় নিতে।


২৯/০৬/২০১৫
১ঃ৫০pm

Saturday, 16 May 2015

   প্রতিহিংসা

কে বলেছে আমি পারিনা?
গুলির বদলে শোণিত আঘাত
সাম্প্রদায়িক ঘাত প্রতিঘাত,
প্রতিবারই আমি প্রতিশোধ নেব
কে কে মরে গেছে জানিনা।

কাগজে কলমে হোক লেখা লিখি,
পথ অবরোধ শত আঁকিবুঁকি,
তুমি ভাব আমি বোকা বনে আছি
মোমবাতি জ্বেলে পথ হারিয়েছি,
আমি কিন্তু তা মানিনা ।

মেরেছ আমার আত্মীয় জন
আমিও মারব ডজন ডজন,
যদি তারই মাঝে মিশে থেকে যায়
দুধ ভাত খাওয়া আমার স্বজন,
প্রতিবাদী দলে মিশিয়েছি গলা

সুপ্রভাত আমি আনিনা।

        বিতাড়িত

আর কতবার বিতাড়িত হব

আর কতবার ঢাকা পড়ে যাবে,

অসত্যের অন্তরালে নির্ভেজাল অনুভূতি।

তোমার মনের সুরে 

সাজিয়ে নিয়েছ আমার ভাষা,

অতিমানব নই তবু 

কত জনমের অপমান বয়ে 

ক্লান্তি আসেনা আমার। 

কোন ঘর তবে আমার?

আর কতবার পাল্টে ফেলব নিজস্ব পরিচয়!

কোন ঠিকানাটা লেখা হবে তবে আমার মৃত্যুপত্রে ?